1. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
খুলনার পুলিশ কমিশনারের অপসারণের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ - Khulnar Khabor
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
দুবাইয়ের কারাগার থেকে বেনজীরের মুক্তি, নতুন উদ্যোগের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কেশবপুরে IBWF-এর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ যশোরে যুবদলের সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ হাসপাতালে ভর্তি দীর্ঘ ৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, দুই মাসের মধ্যেই চালু হচ্ছে কালিয়া সেতু গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জ মাদ্রাসার নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকির দেয়াল ধসে আতিয়ার রহমানের মৃত্যু  দিঘলিয়ায় মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত, আহত আরো ১ জন পাঁজিয়ার মাদারডাঙ্গা দাসপাড়ায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ‘ওয়েভ ইভেন্ট’ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে এরশাদের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন দিঘলিয়ায় জমি দখলের অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের যশোরে মধ্যরাতে যুবতীর ঘরে যুবক বাথরুম থেকে যুবককে উদ্ধার করে গণপিটুনি খুলনার টুটপাড়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি নিহত ডুমুরিয়ায় বিদেশে পাঠানোর কথা বলে প্রতারক চক্রের সাড়ে ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ভূক্তভোগীর থানায় লিখিত অভিযোগ কয়রায় লাইসেন্স ও নিবন্ধন ছাড়া বেকারি পরিচালনা, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কেশবপুরে দু’দিনে চার মাদককারবারি এবং দুই কাঠ চোর গ্রেফতার কয়রায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক রিয়াজুলকে হত্যার হুমকি নকশা বদলে নতুন রূপে ভৈরব সেতু, ২০২৯ সালে শেষ হবে নির্মাণ বাগেরহাটে ১১গরু উদ্ধার’সহ আটক -৩ নড়াইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নছিমন খাদে, চালক নিহত

খুলনার পুলিশ কমিশনারের অপসারণের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৪ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর ||খুলনায় পুলিশ কমিশনারকে অপসারণের দাবিতে মহানগর পুলিশের (কেএমপি) সদর দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪ টার দিকে খুলনার সাধারণ ছাত্র-জনতার ব্যানারে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে দিতে কেএমপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সড়কের দুই পাশ অবরোধ করে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘বাঁচতে হলে লড়তে হবে’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আস্ত একটা স্বৈরাচার’সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিই ছিল বেশি। আন্দোলনকারীরা বলেন, খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

তাঁরা ‘অদক্ষ’ পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি চান। বিক্ষোভ শুরুর কিছুক্ষণ পর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়, পরে তা মুষলধারায় রূপ নেয়।

তবু আন্দোলনকারীরা ভিজে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তাঁদের অনেকেই আশপাশের নিরাপদ স্থানে সরে যান।
এর আগেও গত বৃহস্পতিবার নগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে একই দাবিতে বিক্ষোভ হয়। সচেতন ছাত্র-জনতার ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কেএমপি কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দারসহ কয়েকজন কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে সুকান্ত দাস নামের একজন এসআইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, পুলিশ কমিশনার অপরাধীদের আশ্রয় দিয়ে খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছেন।
এসআই সুকান্তর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর খুলনা সদর থানায় একটি মামলা হয়, যেখানে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া বিএনপির খুলনা মহানগর সভাপতি শফিকুল আলম মনার বাড়ি ভাঙচুরসহ আরও দুটি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসআই সুকান্তকে সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

চলতি আন্দোলনের সূত্রপাত ২৫ জুন। সেদিন থেকে কেএমপি কমিশনারের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। দুই দিনের কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা ২৬ জুন রাতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পর ২৮ জুন তাঁরা আবার কেএমপি সদর দপ্তরের সামনে অবস্থান নেন। ওই দিন সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম খুলনা প্রেসক্লাবে এলে আন্দোলনকারীরা ক্লাবের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন। পরে তাঁর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনা হয়। ওই রাতেই আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ কমিশনারকে অপসারণ না করা হলে খুলনার আটটি থানা, দুই উপকমিশনারের কার্যালয় ও কেএমপি সদর দপ্তর ঘেরাও করে শহর অচল করে দেওয়া হবে। পরদিন ৩০ জুন, আন্দোলনকারীরা আবার কেএমপি সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ করেন। সেখান থেকেই ঘোষণা আসে, ১ জুলাই রূপসা সেতুর টোল প্লাজায় ‘ব্লকেড’ দেওয়া হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, ১ জুলাই সকালে আন্দোলনকারীরা রূপসা সেতুর টোল প্লাজার সামনে অবস্থান নেন। এতে সেতুর ওপর যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেতুর দুই পাশে বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কারসহ শত শত যানবাহন আটকে পড়ে। সেদিনও তাঁরা পুলিশ কমিশনার অপসারণের দাবিতে আইজিপিকে আলটিমেটাম দেন।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।