1. adm1n@wordpress.com : adm1n :
  2. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
মোরেলগঞ্জের সুপারি যাচ্ছে পাশের দেশ ভারতে;চলতি বছরে উৎপাদন ৭০০ টন,মুল্য ২০ কোটি টাকা - Khulnar Khabor
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ডেমো নিউজ
দুবাইয়ের কারাগার থেকে বেনজীরের মুক্তি, নতুন উদ্যোগের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কেশবপুরে IBWF-এর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ যশোরে যুবদলের সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ হাসপাতালে ভর্তি দীর্ঘ ৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, দুই মাসের মধ্যেই চালু হচ্ছে কালিয়া সেতু গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জ মাদ্রাসার নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকির দেয়াল ধসে আতিয়ার রহমানের মৃত্যু  দিঘলিয়ায় মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত, আহত আরো ১ জন পাঁজিয়ার মাদারডাঙ্গা দাসপাড়ায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ‘ওয়েভ ইভেন্ট’ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে এরশাদের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন দিঘলিয়ায় জমি দখলের অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের যশোরে মধ্যরাতে যুবতীর ঘরে যুবক বাথরুম থেকে যুবককে উদ্ধার করে গণপিটুনি খুলনার টুটপাড়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি নিহত ডুমুরিয়ায় বিদেশে পাঠানোর কথা বলে প্রতারক চক্রের সাড়ে ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ভূক্তভোগীর থানায় লিখিত অভিযোগ কয়রায় লাইসেন্স ও নিবন্ধন ছাড়া বেকারি পরিচালনা, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কেশবপুরে দু’দিনে চার মাদককারবারি এবং দুই কাঠ চোর গ্রেফতার কয়রায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক রিয়াজুলকে হত্যার হুমকি নকশা বদলে নতুন রূপে ভৈরব সেতু, ২০২৯ সালে শেষ হবে নির্মাণ বাগেরহাটে ১১গরু উদ্ধার’সহ আটক -৩ নড়াইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নছিমন খাদে, চালক নিহত

মোরেলগঞ্জের সুপারি যাচ্ছে পাশের দেশ ভারতে;চলতি বছরে উৎপাদন ৭০০ টন,মুল্য ২০ কোটি টাকা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪৪ বার শেয়ার হয়েছে

ফাহাদ হোসেন,মোরেলগঞ্জ || বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিনের উপকূলীয় উপজেলা মোরেলগঞ্জ, পানগুছি নদীর দুপাশ ঘেষা ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দেশের অন্যতম বৃহত্তম উপজেলায় উৎপাদিত সুপারি দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভারতেও রপ্তানি করা হচ্ছে। এখানকার সুপারি মানে ভালো হওয়ায় দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতেও এর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের কলকাতা, হুগলি জেলার চুঁচুড়া ও চন্দননগর এলাকায় মোরেলগঞ্জের সুপারির বেশ চাহিদা রয়েছে। তাই এখান থেকে শত শত মণ সুপারি ভারতে চালান দেওয়া হয়।

চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় প্রায় শতকোটি টাকার সুপারি বেচাকেনা হয়। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলাটি একটি ব্যবসাসমৃদ্ধ এলাকা। এখানকার উৎপাদিত ডাব,তাল, পেয়ারা,আমড়া,সুপারিসহ নানা ধরনের পণ্যের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। এই এলাকায় উৎপাদিত এসব পণ্যের ব্যবসায়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

এই এলাকায় বছরজুড়েই সুপারির ব্যবসা চলমান থাকলেও মূলত বছরের আশ্বিন,কার্তিক ও অগ্রহায়ণ এই তিন মাস সুপারির ভরা মৌসুম।

এ সময় উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন যেমন,চিংড়িখালী,রামচন্দ্রপুর,বনগ্রাম,তেলিগাতী,হোগলাপাশা  ইউনিয়ন সহ  অন্তত ১৫টি হাটে সুপারির বেচাকেনা হয়। এছাড়াও উপকূলে সুপারির সবচেয়ে বড় মোকাম মোরেলগঞ্জ। সুন্দরবনের উপকূলের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন থেকে ব্যবসায়ীরা সুপারি নিয়ে বিক্রির জন্য মোরেলগঞ্জ শহরে গড়ে ওঠা সুপারির হাটে আসেন।

হাটে তিন ধরনের সুপারি বেচাকেনা চলতে দেখা গেছে। এগুলো হলো কাঁচা, পাকা, শুকনা ও খোসা ছাড়ানো। এর মধ্যে কাঁচা ও পাকা সুপারি কুড়ি হিসেবে বিক্রি করা হয়। ২১০টি সুপারিতে এক কুড়ি হয়, যার বর্তমান মূল্য ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

ছাড়া শুকনা সুপারি প্রতি মণ ১২-১৩ হাজার টাকা এবং খোসা ছাড়ানো সুপারি প্রতি মণ ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় আড়তদাররা এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এক শ্রেণির দূরাগত বেপারীরা এখান থেকে সুপারি ক্রয় করে সেগুলো ঢাকা, চট্রগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, গৌরনদী, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যান। খুলনা, বাগেরহাট,পিরোজপুর, আশপাশের সীমান্তবর্তী অনেক ব্যবসায়ী এখান থেকে সুপারি ক্রয় করে ভারতের হুগলি,কলকাতা সহ কয়েকটি এলাকায় চালান দেন।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, মাটি এবং আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ কারণে এখানকার সুপারি আকারে অনেক বড় এবং সুস্বাদু হয়।

তিনি বলেন, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে সুপারি গাছে ফুল আসে। সেই ফুল থেকে সুপারি হয়। এ বছর উপজেলার সুপারি বাগানের মালিকরা সঠিক সময়ে সঠিক পরিচর্যা করায় সুপারির এমন ফলন হয়েছে। এ উপজেলায় ৬০০ থেকে ৭০০ টন সুপারি উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর বাজারমূল্য ১৮-২০ কোটি টাকার বেশি হবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।