1. adm1n@wordpress.com : adm1n :
  2. info@www.khulnarkhabor.com : khulnarkhabor :
মোংলায় ছায়া-অস্ত্রের এক ভয়াল প্রহসন! যুবদল নেতা রাহাত হোসেন মুন্নার ওপর বর্বরোচিত হামলার নেপথ্যে বেরিয়ে আাসছে - Khulnar Khabor
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
ডেমো নিউজ
দুবাইয়ের কারাগার থেকে বেনজীরের মুক্তি, নতুন উদ্যোগের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কেশবপুরে IBWF-এর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ যশোরে যুবদলের সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ হাসপাতালে ভর্তি দীর্ঘ ৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, দুই মাসের মধ্যেই চালু হচ্ছে কালিয়া সেতু গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জ মাদ্রাসার নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকির দেয়াল ধসে আতিয়ার রহমানের মৃত্যু  দিঘলিয়ায় মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত, আহত আরো ১ জন পাঁজিয়ার মাদারডাঙ্গা দাসপাড়ায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ‘ওয়েভ ইভেন্ট’ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে এরশাদের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন দিঘলিয়ায় জমি দখলের অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের যশোরে মধ্যরাতে যুবতীর ঘরে যুবক বাথরুম থেকে যুবককে উদ্ধার করে গণপিটুনি খুলনার টুটপাড়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি নিহত ডুমুরিয়ায় বিদেশে পাঠানোর কথা বলে প্রতারক চক্রের সাড়ে ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ভূক্তভোগীর থানায় লিখিত অভিযোগ কয়রায় লাইসেন্স ও নিবন্ধন ছাড়া বেকারি পরিচালনা, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কেশবপুরে দু’দিনে চার মাদককারবারি এবং দুই কাঠ চোর গ্রেফতার কয়রায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক রিয়াজুলকে হত্যার হুমকি নকশা বদলে নতুন রূপে ভৈরব সেতু, ২০২৯ সালে শেষ হবে নির্মাণ বাগেরহাটে ১১গরু উদ্ধার’সহ আটক -৩ নড়াইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নছিমন খাদে, চালক নিহত

মোংলায় ছায়া-অস্ত্রের এক ভয়াল প্রহসন! যুবদল নেতা রাহাত হোসেন মুন্নার ওপর বর্বরোচিত হামলার নেপথ্যে বেরিয়ে আাসছে

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ৯০৫ বার শেয়ার হয়েছে

অতনু চৌধুরী(রাজু) বাগেরহাট প্রতিনিধি||মোংলার রাজনীতিতে একের পর এক চমক। যুবদল নেতা রাহাত হোসেন মুন্নার ওপর বর্বরোচিত হামলার নেপথ্যে বেরিয়ে আসছে এমন সব তথ্য, যা গোয়েন্দা কাহিনির মতো শিহরণ জাগায়।

এটি কোনো তাৎক্ষণিক বা রাগান্বিত প্রতিক্রিয়া ছিল না—বরং সুপরিকল্পিত, নিখুঁতভাবে সাজানো এক ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক প্রহসন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থার বরাতে জানা গেছে, এই হামলার ছায়া বিস্তৃত রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক জগত পর্যন্ত।

এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৯’জুন রাতে আর কাটাখালী ঘাটসংলগ্ন বিলাসবহুল এক রিসোর্টে গোপন বৈঠকে বসেন ছয়জন ষড়যন্ত্রকারী—পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী। বৈঠকে চট্টগ্রাম থেকে ভিডিও কলে যুক্ত হন এক প্রভাবশালী শিপিং ব্যবসায়ীর আত্মীয়, যিনি মূল পরিকল্পনার রূপকার বলে গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন।

রিসোর্টে ঢোকার আগেই অংশগ্রহণকারীদের মোবাইল জমা রাখা হয়। আশপাশে সিসিটিভি না থাকা এবং কড়া নিরাপত্তা—সবই ছিল পূর্বপরিকল্পনার অংশ।

সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় মদ, নারী ও বিকৃত উল্লাসের আয়োজন। সেই নেশাগ্রস্ত পরিবেশেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়—মুন্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার পরিকল্পনা।

এ বিষয়ে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা মন্তব্য করে বলেন, পরিকল্পনাটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যেন মানুষ নয়, হিংস্র থাবার জন্য তৈরি করা হচ্ছে এক শিকার।

পরদিন ১০’জুন সকাল থেকেই মুন্নার ওপর নজরদারি শুরু হয়। অন্তত তিনটি ভিন্ন দলে ভাগ হয়ে তার চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করা হয়। মোবাইলের মাধ্যমে চলে সমন্বয়। প্রত্যেকের কোমরে ছিল চাপাতি ও রড। মুহূর্তেই ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতিতে ছিল তারা।

হামলার পর সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য আসে এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে ঘিরে। ঘটনার সময় তিনিই ছিলেন মুন্নার সঙ্গে, এমনকি খুলনা মেডিকেলেও তাকে নিয়ে যান। অথচ তদন্তে দেখা যায়, তিনি নিজেই ষড়যন্ত্রকারীদের একজন। একে বলা হচ্ছে ইনফিলট্রেটর, যার কাজ ছিল হামলার পরে সহানুভূতির মুখোশ পরে তথ্য ধামাচাপা দেওয়া এবং চক্রকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া।

তদন্তে উঠে এসেছেন রাজনৈতিক হিংসা, অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিগত শত্রুতার এক জটিল মিশেল। চট্টগ্রামের শিপিং ব্যবসায়ীকে ঘিরে পুরনো বিরোধ, রিজেশন ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে টানাপোড়েন এবং মোংলার একটি ৫০ বেড হাসপাতাল ঘিরে ঘটনার আগের দিন উত্তেজনা—সবকিছু মিলিয়েই মুন্না হয়ে ওঠেন ‘টার্গেট’।

কিন্তু এ তদন্তে উঠে এসেছেন আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম এলেও এখনো তা প্রকাশ করা হয়নি।

একাধিক সূত্র বলছেন, মুন্নার ওপর হামলার পর মোংলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, “মুন্না ছিলেন এলাকার একমাত্র কণ্ঠ, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেন।

এখন সেই কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে।” নেতাকর্মীরা দ্রুত বিচার দাবি করে বলছেন, আজ মুন্না, কাল হয়তো আমরা। এই রাজনীতি থামানো না গেলে ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বলছেন, তদন্তে সবদিক বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে তদন্তকে প্রভাবমুক্ত রাখতে নিরপেক্ষ মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এদিকে যুবদল নেতারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন, আর মুন্নার পরিবার প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, “আমরা—এই বর্বরতার বিচার চাই।

সর্বশেষে, এই হামলা নিছক একটি সন্ত্রাসী ঘটনার চেয়ে বেশি কিছু—এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা। প্রতিপক্ষের কণ্ঠস্বর চিরতরে স্তব্ধ করার এক নিষ্ঠুর প্রয়াস। প্রশ্ন একটাই—এই ছায়া-অস্ত্রের নকশা যারা এঁকেছে, তারা কি আদৌ আইনের জালে ধরা পড়বে? নাকি আবারও চাপা পড়ে যাবে একটি নাম, একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ—রাহাত হোসেন মুন্না।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhabor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।